সরকার আবারো অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা নিয়ে আমরাই দিচ্ছি আমরাই দেব আমরা সবাইকে দেব আগে সরকার জল মেশাতো আমরা খাঁটি দুধ দিচ্ছি এই সমস্ত কিছু বলে অগস্টের অন্নপূর্ণা ভান্ডারের যে টাকাটা সেটা মাসের 17 তারিখে দিয়েছে এবং তারই সঙ্গে
উল্টো দিক থেকে যে অভিযোগ অনুযোগ বিক্ষোপ ছিল সেগুলো একই জায়গায় রয়ে গেছে যে সরকার আমাদের সঙ্গে অন্নপূর্ণা ভান্ডার
নিয়ে কথার খেলাপ করছে জুন জুলাই আগস্ট তিন মাস ধরে এই সমস্ত অভিযোগের কথা বিক্ষোবের কথা সামনে উঠে আসছে এবংতন তিন
মাস ধরে এই টানাপরেন চলছে এখানে দাঁড়িয়ে সরকার দিচ্ছে ফ্রিতে টাকা পাচ্ছ বসে বসে টাকা পাচ্ছ এত কথা কিসের বুঝেই দেবে সরকার
ওদিকে ভাতাটা কি আদৌ তোমার অধিকার এটা তো একটা ভিক্ষা এ সমস্ত কিছু বলে আপনি 10 পাতার রচনা লিখতেই পারেন বারবার এই রচনা
নিয়ে কথা বলা সম্ভব নয় রচনাকে ডিফেন্ড করাও সম্ভব নয় আল্টিমেটলি বিষয়টা হচ্ছে যে দেখুন প্রথমত বিজেপি যে কটা রাজ্যে
রয়েছে বিজেপি সরকার যে কটা রাজ্যে রয়েছে সেখানে প্রতিটা রাজ্যে বিজেপি মহিলাদের এই টাকা দেয় ডিবিটি ডিরেক্ট বেনিফিট
ট্রান্সফার সে করে। দ্বিতীয় কথা সরকার সবাইকে দিচ্ছে না। সে নিজের ক্রাইটেরিয়া বুঝেই দিচ্ছে। এবং তৃতীয় কথা এই সমস্ত
কওমা এর মধ্যে আসল প্রশ্নটা হারিয়ে যাচ্ছে যে অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে আসলে সমস্যাটা কি হচ্ছে? আসলে কি হচ্ছে এই
অন্নপূর্ণা ভান্ডার নিয়ে সেটাই আমরা সবাই বুঝতে চাইছি। তাহলে সবকিছু বাদ দিয়ে এই কথায় আসা যাক যে একসময় মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ভোট ব্যাংক। যেটা
বর্তমানে বিজেপির ভোট ব্যাংক যেটা পশ্চিমবঙ্গের সবথেকে বড় ভোট ব্যাংক সেই মহিলা ভোট ব্যাংক কেন বিজেপিকে নিয়ে
অসন্তুষ্ট হয়ে যাচ্ছে এখানে প্রথমেই যেটা বুঝতে হবে সরকারের সঙ্গে ভোটারদের একটা চুক্তি থাকে যেটাকে বলা হয় সোশ্যাল
কন্ট্রাক্ট সামাজিক চুক্তি এবার এটাকে অনেক বড় করে বোঝানো যায় একদম পাতি ভাষায় বলতে গেলে সরকার আমাকে কিছু
প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবার আমি সরকারকে ভোট দিয়েছি সরকার বলেছিল ভোট দিলে প্রতিশ্রুতি পূরণ করবে এবার তোমার সাথে আমার এই চুক্তিটা হয়েছে আমি তোমাকে ভোট দিয়েছি। এবার তাহলে তুমি তোমার কথা রাখো।
তুমি তোমার কথার খেলাপ করো না। তাহলেই আমি তোমার সঙ্গে আছি। যদি না অন্যান্য জায়গায় তুমি সাংঘাতিক বাড়াবাড়ি শুরু করো। একদম সহজ উদাহরণ দিয়ে বোঝালে মমতা
বন্দোপাধ্যায় চারিদিকে অনেক কিছু করছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার অনেক রকম ঘটনা ঘটাচ্ছিল। কিন্তু তিনি এই চুক্তিটা বজায় রেখেছিলেন। লক্ষীর
ভান্ডারের টাকাটা তিনি মহিলাদের দিয়ে যাচ্ছিলেন এবং মহিলারাও তাকে ভোট দিয়ে যাচ্ছিলেন। অনেক কিছু কানের পাশে ভনভন ভনভন করে বিরক্ত করলেও এই চুক্তিটা বজায়
ছিল বলে তারা কিন্তু ভোটটা দিয়ে যাচ্ছিলেন। যতক্ষণ না পর্যন্ত একটা আরজিকরের মত ঘটনা ঘটলো। যতক্ষণ না পর্যন্ত শিক্ষা দুর্নীতি এমন একটা জায়গায় চলে
গেল যেখানে বেকার যুবক-যুবতীদের কান্না হাহাকার প্রত্যেকদিন শোনা যাচ্ছে। মানে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হলো যে বাইরের জমাজল শুধুমাত্র ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েছে
তাই নয়। একেবারে আমার বুক পর্যন্ত উঠে এসেছে। এরপর আমাকে ডুবিয়ে দেবে। তাহলে এবার আমাকে ভোটটা অন্যদিকে দিতেই হবে বলে
মানুষজন তখন ঘুরে গেলেন। তো সেই রকম ভাবেই এই সোশ্যাল কন্ট্রাক্টটা বিজেপির সরকারের সঙ্গে এবার পশ্চিমবঙ্গের মহিলা ভোটারদের
হলো। যে বিজেপির সরকার বিজেপি ক্ষমতায় আসার আগে বলেছে তারা এই টাকাটা দেবে। এটা একটা সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট। তাহলে তুমি তোমার কথার খেলাপ করবে না। আমি তোমার
সঙ্গে থাকবো। এই চুক্তিটা থাকবে। যদি না তুমি আবারও চারপাশে অন্যরকম ভাবে আরো এত গন্ডগোল করতে শুরু করো। এত বাড়াবাড়িতে চলে
যাও যে আবার আমাকে তোমার দিক থেকে ঘুরে যেতে হবে। এইবার বিষয়টা হচ্ছে সরকার ক্ষমতায় আসার পর কি করল? বিজেপির সরকার
ক্ষমতায় আসার পর বলল না আমরা সবাইকে অন্নপূর্ণা ভান্ডার দেবো না। ক্ষমতায় আসার আগে যে কথাটা বিজেপি বলেছিল যে না আমরা
সবাইকে দেব। সবাই পাবে। ক্ষমতায় আসার পরে বিজেপি সরকার বলল না সবাই পাবে না। আমার শর্ত আছে। এবার তার মানে আপনি কি করলেন?
আপনার যে সামাজিক চুক্তি বা সোশ্যাল কন্ট্রাক্টটা ছিল তার শর্তটা আপনি নেগোশিয়েট করলেন। এই চুক্তিটা আপনি
নেগোশিয়েট করলেন। কিন্তু যদি বারবার এই চুক্তির শর্ত ক্রমাগত বদলানো হতে থাকে ক্রমাগত নেগোসিয়েশনের জায়গা তৈরি হয় তখন
মানুষের মাথা খারাপ হতে বাধ্য। যেখানে গিয়ে মহিলারা এবার এইরকম ভাবে প্রশ্ন করছেন বা মনে হচ্ছে তাদের তারা এই আতঙ্কে
ভুগছেন যে আমি কি আদৌ পাবো? আমি কি তাহলে পাবো না? আচ্ছা আমি কি যোগ্য? আচ্ছা এ মাসে পেলাম মানে আমি পরের মাসেও পাবো। তো আবার যদি শর্ত বদলে যায়। এবার যদি তাহলে
আমার নামটা বাদ চলে যায় তাহলে কি হবে? এবং তারই সঙ্গে এই যে ধরুন প্রথমেই অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য একটা 12 13 পাতার ফর্ম ফিলাপের জন্য দেওয়া হলো। আমরা বলেছিলাম
সেই পর্বে যে এই ফর্মটাকে কেটে ছেটে অন্তত ছয় সাত পাতা আপনি করতে পারতেন। না সেখানে সরকারের বক্তব্য হলো যে না এটা আমার দরকার। এবার যুক্তি এটা হতে পারে সরকারের
তরফ থেকে যে আমি তো আরো বেশি লোককে বেনিফিট দিতে চাই। সেই কারণে আমি এরকম শর্ত রাখছি। আমি শর্ত বদলাচ্ছি। আরো বেনিফিট দেব। আরো লোককে নিয়ে আসবো। আরো
কাজের জন্য আমার দরকার। সেই কারণে আমি শর্ত বদলাচ্ছি। সেই কারণে ফর্ম ফিলাপ করতে বলছি। কিন্তু কতবার সেটা হতে পারে?
মহিলারা যারা রয়েছেন তারা দেখা যাচ্ছে ফর্ম এই ফিলাপ করছেন যে 300 টাকা দিয়ে তারা ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছেন। এবার যতই সরকারের তরফ থেকে মন্ত্রীরা বলুক না কেন
কেন টাকা দিচ্ছেন? কেন টাকা দিয়ে ফর্ম ফিলাপ করাচ্ছেন? দেবেন না টাকা সম্ভব নয়।
তারা করাচ্ছেন। তারা ভাবছেন ঠিক আছে আমি 300 টাকা দিয়ে এপ্লাই করলাম। তাহলে আমি 3000 টাকা এর পরের মাস থেকে নিশ্চয়ই পাবো। কিন্তু কতবার তারা সেই 300 টাকা খরচ করবেন আর কতবার তারা ফর্ম ফিলাপ করবেন?
এটা তো লটারির খেলা নয়। কারণ বারবার শর্ত বদলানোর জন্য বারবার এপ্লাই করার বিষয়ও সামনে উঠে আসছে অনেকের ক্ষেত্রে। এবার এখন
আজও মহামহী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই কথাটা বলেছেন মহিলাদের উদ্দেশ্যে যে আপনারা নিশ্চিন্তে থাকুন। আমরা বলেছি কথা
রাখবো আমরা রেখেছি। আগের সরকারের আমলে মৃতরা লক্ষমীর ভান্ডার পেত। পুরুষেরা লক্ষমীর ভান্ডার পেত। আপনারা নিশ্চয়ই চান
না যে আপনাদের টাকা পয়সা এইভাবে নয় ছয় হোক। সেটা আটকানোর জন্যই আমরা কাজ করছি।
এবং আপনারা জেনে খুশি হবেন 1 কোটি 45 লক্ষ মহিলার একাউন্টে জুলাই মাসের যে 3000 টাকা তাদের পাওয়ার কথা সেটা আমরা আজ ঢুকিয়ে
দিয়েছি। 10ই জুলাই পর্যন্ত যারা আবেদন করেছেন আর 31শে জুলাই পর্যন্ত পোর্টাল খোলা ছিল। এই সমস্ত কাজ এবারেরটা হয়ে
যাওয়ার পরে আমরা আবার জনকল্যাণমূলক শিবির করব। এখন বিষয়টা হচ্ছে একজন মুখ্যমন্ত্রী যখন এই কথা বলছেন একজন মুখ্যমন্ত্রীর কথা
কেউ অবিশ্বাস কেনইবা করবেন? নতুন সরকারের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ডাবল ইঞ্জিন সরকারে রয়েছেন তিনি এবং এখন তো সমস্ত মুখ্যমন্ত্রী মানবিক হন দানবিক তো কেউ হন না তাহলে তিনি এই কথা বলছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী বলছেন আগের সরকারের আমলে
মৃতরা লক্ষীর ভান্ডার পেত পুরুষেরা লক্ষীর ভান্ডার পেত আপনার যুক্তি যদি এটা হয় যে এই জিনিসটাকে আটকানোর জন্য আপনার দেরি
হচ্ছে বা মহিলাদের আপনি এখনো পর্যন্ত যারা পাচ্ছেন না তাদের বঞ্চিত করছেন তাহলে সেক্ষেত্রে এই কাজগুলো যারা করেছিল তাদের
শাস্তিটা কোথায় তাহলে তাদের সকলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। যারা পুরুষ হওয়ার পরেও লক্ষীর ভান্ডার পেত মৃত হিসেবে নাম থাকার পরেও লক্ষীর ভান্ডার যাদের একাউন্টে
ঢুকতো এই সমস্তগুলো দেখে তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে হবে। সেটা দেখতে গেলে এতদিনে অন্তত 10 লাখ মানুষের তো গ্রেপ্তার হয়ে যাওয়ার কথা। সেটা কোথায় হচ্ছে? সেই জিনিসটা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না কেন?
তাহলে একজন মহিলা যিনি বঞ্চিত হচ্ছেন তাকে যদি আপনি যুক্তি দেন যে আপনাদের টাকা যাতে এইভাবে নয় ছয় না হয় সেই কারণে দেরি
হচ্ছে। সেই কারণে গন্ডগোল হচ্ছে। তাহলে সেই মহিলাও তো দেখতে চাইবেন যে আমি বঞ্চিত হচ্ছি কারণ এর আগে যারা এই সমস্ত কাজগুলো
করেছে তাদের ধরা হবে তাদের শাস্তি দেওয়া হবে কিন্তু সেটা যদি না হয় এবং শুধুমাত্র আমিই যদি বঞ্চিত হতে থাকি আর যারা এসব অন্যায় করেছে তারা ব্যাং ব্যাঙ করে যদি
ঘুরে বেড়ায় তাহলে কি করে চলবে আরেকটা খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে অনেকেই মনে করেন যে এই যে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের
টাকাটা সরকার দেবে এটা একটা এক্সট্রা ফ্রিতে পাওয়া টাকা তোমার যা উপার্জন বা যতটুকু টাকা পয়সা আছে তার উপরে এটা তোমার
উপরই পাওনা এটা ফ্রি ফ্রি। মানে ওই বাজারে সবজি কিনতে গেলে যেরকম ওই ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা ফ্রিতে পাওয়া যায় সেই রকম একটা বিষয়। দেখুন ওসব এখন গল্প। প্রথম
কথা সরকার সবাইকে টাকা দিচ্ছে না। অলরেডি প্রচুর কাটছাট হয়ে গেছে। এটা করলে পাবে না, অমুক থাকলে পাবে না, তমুক কাজ করলে পাবে না। সেগুলো অলরেডি বাদ হয়ে গেছে।
তার মানে এখন যাদের এই অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাওয়ার কথা তাদের সত্যিই এটা দরকার। তারা নিডি। তারা যোগ্য। তাদের এই টাকাটা দরকার।
সেই কারণেই তারা পাবে। এবং তারই সঙ্গে দেখুন এই যে টাকাটা এই যে ভাতা এটা মানুষের জীবনের মধ্যে ফ্যাক্টরডিন হয়ে
গেছে। নিত্যনৈমিত্তিক জীবনের একটা অঙ্গ হয়ে গেছে। অনেকেই আছেন যারা লক্ষমীর ভান্ডারের যে টাকাটা পেতেন সেটা দিয়ে লিপস্টিক কিনতেন। কিংবা পাঁচ মাস জমিয়ে
রেখে একটা ফোন কিনতেন। কিন্তু অনেকেই আছেন যারা লক্ষমীর ভান্ডারের ওই টাকাটার জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকতেন।
কারণ ওই টাকাটা
দিয়ে তারা ওষুধ কিনতেন। কিংবা তারা ছেলেমেয়ের টিউশনের টাকাটা জোগাতেন কিংবা তারা ইএমআইটা দিতেন। এটা তাদের নিত্য নৈমিত্তিক জীবনের একটা অংশ হয়ে গিয়েছিল।
এইবার যদি পরিস্থিতি এরকম হয় যে আপনি যে মাইনেটা পাচ্ছেন সেটা বাড়ার বদলে কমে গেল কিংবা আপনি যে পেনশনটা পাচ্ছিলেন সেটা
বন্ধ হয়ে গেল তখন আপনি কি করবেন? ওই টাকাটার উপরেই তো আপনাকে চালাতে হচ্ছিল।
সেক্ষেত্রে কি হবে? আর এইখানেই কিন্তু সবথেকে বেশি অসন্তোষটা তৈরি হচ্ছে। যাদের এই টাকাটা দরকার যারা এই টাকাটা পাওয়ার
যোগ্য যারা এই টাকাটা অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকাটা পাচ্ছেন না কিন্তু লক্ষের ভান্ডারের টাকাটা যারা নিয়মিত পেতেন তাদের মধ্যেই কিন্তু এই অসন্তোষের
জায়গাটা সবথেকে বেশি তৈরি হচ্ছে। দেখুন অন্নপূর্ণা ভান্ডারের এই যে প্রতিশ্রুতি এবং টাকা পাওয়ার বিষয়টা সেটা শুধুমাত্র টাকার বিষয় নয়। এটা কিন্তু সরকারের
সঙ্গে তার ভোটারদের একটা সম্পর্ক এবং একটা বিশ্বাসের বিষয়। আমরা সাধারণ মানুষ যারা রয়েছি আমরা কিন্তু সবাই দেশ বদলাতে চাই
না। আমরা হ্যানকারিঙ্গা তানকারিঙ্গা এত বড় কিছু করে ফেলবো এসব চাই না। আমরা কি চাই? আমরা চাই ট্রেনটা যেন আজ খুব বেশি না
ঝোলায়। আমরা চাই অটোর লাইনে আজ যেন খুব ভিড় না হয়। আমরা চাই যে বৃষ্টির পরে জলটা একটু তাড়াতাড়ি নেমে যাক। আমরা চাই
যে চাঁদার নামে গলাটা যেন না কেটে দেয় এসে। এই যে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের টাকা আগেই বললাম এটা সরকারের সঙ্গে ভোটারদের
একটা বিশ্বাসের বিষয়। আমি বলছি না যে এর জন্য সরকারের খুব তাড়াতাড়ি সাংঘাতিক বড় কিছু ক্ষতি হতে চলেছে না। কিন্তু সরকারের
প্রতি ভোটারের যে বিশ্বাস সেই বিশ্বাসটা ক্ষয় হতে শুরু করেছে এবং হবে। আর এই প্রক্রিয়া যদি একবার শুরু হয়ে যায়
তাহলে সেটা থামানো খুব মুশকিল এবং এটা অত্যন্ত দ্রুত খুব তাড়াতাড়ি শুরু হয়ে গেছে। এবং তারই সঙ্গে বলতে হয় যে সরকারের
সঙ্গে ভোটারের সম্পর্কটা কাজ এবং বিশ্বাসের মধ্যে দিয়ে তৈরি হয়। তাই সরকারকে কাজের মাধ্যমে মানুষের বিশ্বাসটা
অর্জন করতে হয়, ধরে রাখতে হয়। আর সেটা না হলে কি হতে পারে সেটা আমরা সবাই জানি।
আর খুব সম্প্রতি সেটা আমরা সবাই আরো একবার দেখেছি। আমাদের স্মৃতিতে বিষয়টা খুব ফ্রেশ রয়েছে। আজকের পর্ব এখানেই শেষ
করছি। আপনাদের মতামত অবশ্যই জানাবেন। পরের দিন দেখা হবে অন্য একটি বিষয় নিয়ে আলোচনায়। ভালো থাকবেন।

No comments:
Post a Comment